কুনুর নদীর পাড়ে বৈদ্যুতিক চুল্লির শুভ সূচনা, খুশি এলাকাবাসী

 

নিজস্ব সংবাদদাতা,কাঁকসা(খবর7দিন প্লাস):- কুনুর নদীর পাড়ে তৈরি হবে বৈদ্যুতিক শ্মশান। এই কাজের শুভ সূচনায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার এবং এডিডিএর চেয়ারম্যান কবি দত্ত। আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে কাঁকসার মলানদিঘী গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলডিহায় হতে চলেছে বৈদ্যুতিক শ্মশান। ব্যয় হবে প্রায় ৩ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। দু'বছরের মধ্যে শেষ হবে এই কাজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, চেয়ারম্যানের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায়, এসবিএসটিসসির চেয়ারম্যান সুভাষ মন্ডল, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজেন্দ্র প্রসাদ মন্ডল, প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য দীপঙ্কর লাহা, কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ নব কুমার সামন্ত সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। 

মন্ত্রী বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল এই শ্মশানটি করার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে এই বৈদ্যুতিক শ্মশানটি হতে চলেছে। এই শ্মশানটি পরিবেশবান্ধব হবে। কাঁকসার মানুষের পাশাপাশি বীরভূম, বাঁকুড়ার মানুষেরও সুবিধা হবে। ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। এলাকার বেশ কিছু বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের জায়গা হবে।"আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত বলেন,"আমরা চেষ্টা করেছিলাম বৈদ্যুতিক চুল্লি করার জন্য। তারই কাজ শুরু হলো। পরিবেশবান্ধব এই শ্মশানে দূষণ অনেকটাই কমবে।"স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ প্রবোধ মুখোপাধ্যায় বলেন,"করোনা পরিস্থিতি


র সময় চরম সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল এলাকার মানুষদের। আমরা রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের কাছে বৈদ্যুতিক শ্মশানের দাবি করেছিলাম। আজ কাজের সূচনা হওয়ায় আমরা খুশি।"

নবীনতর পূর্বতন