স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের কাজের দাবি নিয়ে এবার ময়দানে তৃণমূল বনাম তৃণমূলের লড়াই

নিজস্ব সংবাদদাতা,কাঁকসা(খবর7দিন প্লাস):- কাঁকসার পাথরডিহা আদিবাসী গ্রামে মিথেন গ্যাস উত্তোলনকারী এক সংস্থা নতুন প্রজেক্ট তৈরীর কাজ শুরু করেছে। অভিযোগ, প্রকল্পর জন্য জমি গেছে, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় শাসক তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে মিটিং মিছিল করেছে, ভোট করিয়েছে, অথচ এই সংস্থায় কাজের সময় বিরোধী বিজেপি সিপিআইএম কর্মীদের কাজে ঢোকানো হচ্ছে, অথচ তৃণমূল কর্মীরা কাজ পাচ্ছে না। এবার কাজের দাবিতে তৃণমূল স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুমিত্রা হাঁসদা দলের লোকজনদের নিয়ে সংস্থার মেন গেটের সামনে বাঁশ আটকে আন্দোলোনে সামিল হলেন দলেরই ব্লক সভাপতি নব সামন্তর বিরুদ্ধে। 

অভিযোগ যতবার ব্লক সভাপতিকে বিষয়টি বলা হয়েছে  ততোবারই ব্লক সভাপতি তাকে অন্ধকারে রেখে বিরোধীদের নিয়োগ করেছে, এই আন্দোলননের পরও কাজের কাজ কিছু না হলে পঞ্চায়েত সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য। একই অভিযোগে সরব হয়ে পাথরডিহা আদিবাসী অধুষিত অঞ্চলের বাকি স্থানিয় তৃণমূল কর্মীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আন্দোলোনে সামিল হলেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও টাকার লেনদেন নেই তো???? প্রশ্ন আন্দোলনরত তৃণমূল কর্মীদের একাংশর।যদিও এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন পাল্টা দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। কিন্তু গোটা ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল বনাম তৃণমূলের ঠান্ডা লড়াইয়ে বিড়ম্বনাতে ঘাস ফুল শিবির। এই আন্দোলনের পরও কাজ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারী দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সুমিত্রা হাঁসদা, 

দলের উচ্চ নেতৃত্বের কাছে তারা দরবার করবেন, এরপর যদি ফের একই ঘটনার পুনুরাবৃত্তি হয় তাহলে প্রয়োজনে গোটা গ্রামকে নিয়ে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারী কাঁকসার গোপালপুর পঞ্চায়েতের পাথরডিহা গ্রামের তৃণমূল কর্মীদের একাংশ।এইদিকে এই ঘটনায় সুর  তুলেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সব নেতা কর্মীদের এক হয়ে লড়ার বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো, এই তো দিন কয়েক আগে পান্ডবেস্বরের তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী দলের বুথ কর্মী সম্মেলনে স্থানীয়দের হয়ে গলা ফাটিয়ে বলেছেন প্রয়োজনে স্থানিয়দের চাকরির জন্য লেঠেল বাহিনী নিয়ে রাস্তায় নামবেন তিনি,দলের বিধায়কের এই মন্তব্য বেশ ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মাধ্যমে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে  কাঁকসার গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পাথরডিহা গ্রামের দলের বিবাদের এই ছবি আরো একবার প্রমান করলো ২৬ শের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের অন্দরের লড়াই সামাল দিতে বেশ হিমশিম খেতে হবে তৃণমূল নেতৃত্বকে।

নবীনতর পূর্বতন